প্রগতি বার্তা

নির্বাচনি প্রচারণা শুরু কাল, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

সম্পাদকীয় ডেস্ক
সম্পাদকীয় ডেস্ক প্রকাশ : ২১ জানুয়ারী ২০২৬, দুপুর ১২:৪৫
নির্বাচনি প্রচারণা শুরু কাল, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তফসিল অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ করবে নির্বাচন কমিশন। আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে। 


সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে অনলাইন ও অফলাইন দুই মাধ্যমেই প্রচার চালাবেন প্রার্থীরা। তবে এ ক্ষেত্রে মানতে হবে বেশ কিছু নির্দেশনা। সেগুলো না মানলে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রার্থিতাও বাতিল হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইনে প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীকে সাতটি নির্দেশনা মানতে হবে। এগুলো হলো—


একজন প্রার্থী তার নির্বাচনি এজেন্ট বা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকে ফেসবুক বা অন্যান্য যেসব প্ল্যাটফর্মে প্রচার চালাবেন সেগুলোর নাম, আইডি, ই-মেইল ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য আগেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। নির্বাচনি প্রচারে কোনোভাবেই অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে না। 


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘৃণা ছড়ানো, ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো, কারও ছবি বিকৃতি করা বা ভুয়া কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, নারী, সংখ্যালঘু বা কোনো গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কোনো রকম ঘৃণামূলক, উসকানিমূলক কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না। ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতিকে ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা যাবে না। নির্বাচনি স্বার্থে ধর্ম বা জাতির অপব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। 


সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা বাধ্যতামূলক। গুজব, বিভ্রান্তিকর পোস্ট কিংবা যাচাই না করা তথ্য প্রচার করা যাবে না। প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো দল, প্রার্থী বা তাদের সমর্থকরা কারও সুনাম নষ্ট বা চরিত্রহননের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি, সম্পাদনা, প্রচার বা শেয়ার করতে পারবেন না। এসব ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করাও নিষিদ্ধ থএ ছাড়া অফলাইন বা সরাসরি প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো দল বা প্রার্থী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিদেশে জনসভা, পথসভা, সভা-সমাবেশ বা কোনো প্রচার চালাতে পারবেন না। পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। একজন প্রার্থী তার সংসদীয় আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন না এবং এর দৈর্ঘ্য হবে সর্বোচ্চ ১৬ ফুট আর প্রস্থ ৯ ফুট। নির্বাচনের দিন ও প্রচারের সময় ‘কোয়াডকপ্টার’ বা এ জাতীয় যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো প্রার্থী ও প্রতিষ্ঠান ভোটার স্লিপ বিতরণ করতে পারবেন। তবে ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম, ছবি, পদের নাম ও প্রতীক উল্লেখ করতে পারবেন না। যেগুলো ডিজিটাল বিলবোর্ড, শুধু সেগুলোতে আলো ব্যবহার করা যাবে। বিদ্যুতের ব্যবহার করা যাবে। তবে আলোকসজ্জার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেটে পলিথিনের আবরণ নয়, প্লাস্টিক (পিভিসি) ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না। 

আজ 

াকবে। 


শেয়ার করুন:

সম্পর্কিত সংবাদ